সকাল থেকেই প্রচন্ড বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টিময় সকাল আমার অনেক ভালো লাগে। শরীরের অলসতা ভেঙ্গে ঝট করে উঠে পড়লাম। তারাতারি ল্যাপটপটা ওপেন করে ফেসবুক এ লগইন করলাম। তারপর প্রতিদিনের মত আজও সেই একই কাজ, সেই একই রুটিন। কিন্তু আজ এইটা কি হলো? আমি যেন নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিনা ! আমার শরীরে একটা বিদ্দুতের মতো চমকে গেল। তার মানে প্রিয়া কালকে ফেসবুকে এসেছিলো? কিন্তু কখন? রাত ২টা ৪০ মিনিটে প্রিয়ার স্টেটাস আপডেট দেয়া আছে! ১৫ দিন পর এসে একটা স্টেটাস দিয়ে গেল? আমি যে মেসেজ করেছিলাম সেটার কোনো রিপ্লাই করলোনা! আশ্চর্য একটা মেয়ে! এখনো আগের মতই আছে পাগলিটা! আমার প্রিয় বৃষ্টি অবিরাম ধারায় তার সৌন্দর্য ঝরিয়ে যাচ্ছে আর আমার মনটা ওই মেঘলা আকাশের মতই কালো হয়ে গেল! কিছুই ভালো লাগছেনা।
ফ্রেশ হয়ে সোজা অফিসে চলে গেলাম। নাশতা করতে ইচ্ছা করছেনা। অফিসে কাজে মন বসলোনা। সারাক্ষণ ফেসবুক এ ছিলাম। যদি পাগলিকে পেয়ে যাই এই আশায়। কিন্তু যে মেয়ে ১৫ দিন পর ফেসবুকে আসে সেকি কি আর এত সহজে আসবে? আবার কতদিনের অপেক্ষায় রেখে গেল আমাকে? এসব ভেবে মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। একটা মেসেজ দিয়ে রাখলাম প্রিয়ার ইনবক্স এ। জানিনা কবে রিপ্লাই আসবে তার। কবে শেষ হবে আমার অপেক্ষার প্রহর। এসব ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমিয়ে পরেছি তা মনে নেই।
হঠাৎ একটা বাতাসের ঝাপটায় ঘুমটা ভেঙ্গে গেল। জানালাটা খোলাই ছিলো। মোবাইলটা তখনও আমার হাতে। মোবাইলে চোখ পড়তেই চমকে উঠলাম! প্রিয়ার মেসেজ? মেসেজটা খুলতেই দেখি প্রিয়া এখন অনলাইনে? আমি সাথে সাথে মেসেজ করলাম...
- কেমন আছেন?
- ভালো। আপনি?
- কিছুটা ভালো...!
- কিছুটা কেন?
- জানিনা... এতদিন পর?
- পরীক্ষা, অনেক ব্যাস্ত !
- কেমন চলছে?
- ভালোই :)
- আপনার আব্বু-আম্মু কেমন আছে?
- জ্বী ভালো।
- আর সে?
- কে?
- মানে আপনার স্পেশাল একজন?
প্রশ্নটা শোনার পর একটু মুচকি হাসলো কিনা জানিনা কিন্তু কিছুক্ষন আর রিপ্লাই আসলো না।
- চলে গেলেন নাকি?
- না... আছি তো !
- কিছু বললেন না যে?
- কি বলবো?
- যেটা জানতে চাইলাম?
- জানাটা কি খুব জরুরী?
- এতোটা না..! কিন্তু কৌতুহল তো থেকেই যায় :)
- হঠাৎ আমাকে নিয়ে এতো কৌতুহল?
- হঠাৎ না। অনেক আগে থেকেই।
- ও... ভালো।
- খারাপ তো হতেই পারেনা :)
- অন্য প্রসঙ্গে যাওয়া যাক...
- শেষ করলেন না যে?
- ইচ্ছা করছেনা। Sorry !!
- Its ok !!
- thanks.
প্রিয়া কি এখনো একাই অাছে? না, না। ওর পক্ষে অন্য কারো সাথে জড়ানো সম্ভব না। আমি আমার ময়না পাখিকে জানি তো! প্রিয়া আমার ছিলো, এখনো আমারই আছে। যতদুরেই থাকুক, আমি জানি ও এখনো আমাকে প্রতিটি মুহুর্তে অনুভব করে। I miss u Babu. I miss u.
- দেশে ফিরতে ইচ্ছা করেনা?
- খুব !!
- বাধা কিসের?
- জানিনা তো!
- আপনি কি দেখতে খুবই সুন্দর?
- মনে হয় না।
- তাহলে প্রোফাইলে ছবি দেন না কেন?
- ইচ্ছা করেনা।
- কিন্তু আপনাকে যে দেখতে ইচ্ছা করে?
- চলে আসুন কানাডা :)
- ওরে বাবা.... মন থেকে বলছেন? আমি কিন্তু সত্যি চলে আসব।
- ভয় দেখাচ্ছেন?
- আরে না। আমি সুন্দরীদের ভয় দেখাইনা। ভয় পাই।
- আমি সুন্দরী সেটা এতোটা আত্মবিশ্বাস দিয়ে কিভাবে বলতে পারেন?
- আমার আত্মবিশ্বাসের উপরে আমার পূর্ন আস্থা অাছে।
- তাই! ভালো।
- বৃষ্টি পছন্দ করেন?
- খুব।
- আমারও বৃষ্টি এতো ভালো লাগে যে বলে বোঝাতে পারব না। বৃষ্টি নামলে আমিও বৃষ্টির সাথে ছন্দ মেলাই। ভিজে একাকার হয়ে যাই....
কিছুক্ষন প্রিয়া আর মেসেজ করলো না। হয়ত চুপিসারে বসে বসে কাদছে। আমাদের বৃষ্টিবেজার দিনগুলি হয়তো মনে পড়ে যাচ্ছে পাগলীর। স্কুল থেকে এসেই ছাদে উঠে যেত। আর আমি নিচে দাড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতাম পাগলীর জন্য। ও ছাদে ভিজতো আর আমি নিচে দাড়িয়ে বৃষ্টির সাথে ওর ছন্দ মেলানো দেখতাম। বৃষ্টিকে কিভাবে আলিঙ্গন করতে হয় সেটা পাগলীর কাছ থেকেই শিখেছি। তারপর বছর পেরিয়ে যখন কলেজে, তখন দুজনে একসাখে ভিজতাম। হাতে হাত ধরে, পাশাপাশি। লাল রঙ্গের জামায় পাগলীকে মেঘকন্যার মতো লাগতো। মনে হতো বৃষ্টির এ ধরায় আগমনের একমাত্র কারন আমার লালপরী মেঘকন্যা। প্রিয়ার আলিঙ্গনে বৃষ্টি তার সত্যিকারের পূর্নতা পেত। এসব ভেবে কখন যে অামার চোখর কোনে জল জমা হয়ে গেছে বুঝতেই পারলামনা। চোখ মুছতেই প্রিয়ার মেসেজ এলো।
- ঢাকায় বৃষ্টি হচ্ছে?
- হুমম। অনেক।
- ভিজবেন না?
- আজকে না। শরীর টা ভালো না। আপনার পছন্দের রং কি?
- লাল।
- অাশ্চর্য ! আমারও প্রিয় রং লাল।
- হুমম ।
- তখনো লাল শাড়ি পড়েছেন?
- অনেকবার।
- মেয়েদের লাল শাড়িতে অপরুপা লাগে। একদম স্বর্গের অপ্সরা....
প্রিয়া আবারও চুপ হয়ে থাকলো। আমি জানি ওর মনে এখন স্মুতির কোন পাতাটা উকি দিচ্ছে। ২৫ শে আগষ্ট। হ্যা। প্রিয়ার জন্মদিন। প্রতিবার প্রিয়া জন্মদিনে লাল টুকটুকে শাড়ি পড়তো। লাল শাড়িতে ওকে মনে হতো পৃথিবীর সবচাইতে মোহনীয় আর পরিপুর্ন একটি মেয়ে। এক পৃথিবী সৌন্দর্য ওর কাছে নিতান্তই কম মনে হতো্। আমার লাল টুকটুকে বউ। আমার পাগলী মনি। ওর লাল শাড়ির সাথে মিলিয়ে আমাকেও লাল রংয়ের পান্জাবী পড়তে হতো। যদিও আমাকে লাল পান্জাবী মানায়না। তবু আমার পাগলীর কাছে আমিই ছিলাম রাজপুত্র। আমি সবসময় পাঞ্জাবির হাত গুটিয়ে পরি। কিন্তু প্রিয়া হাত গুটানো একদম পছন্দ করতো না। ওর ভয়ে হাতা ছেড়ে রাখতাম। এখন আর পাঞ্জাবি পরিনা। তাই হাতা গুটানোর ভয়ও নেই।
যে হাত ছেড়ে দিয়ে স্বার্থপরের মতো পৃথিবীর আরেক প্রান্তে গিয়ে প্রতিদিন কান্নাভেজা চোখে আমাকে মনে করো, তখন তো এই দুহাত বাড়িয়ে তোমার চোখের জলটা মুছে দিতে পারিনা। কেন চলে গেলে আমাকে এইভাবে একলা ফেলে? কেন সেদিন বাবার বাধ্য মেয়ে হয়ে আমাকে জীবন থেকে আলাদা করে দিয়ে নিজেকে আমার কাছ থেকে সড়িয়ে নিলে? একলা স্বিদ্ধান্ত নেবার অধিকার তোমাকে কে দিয়েছে? আমি জানি তুমি এখনো প্রতিরাতে কেদে কেদে আমার নাম ধরে জোরে চিত্কার করো। আমি তোমার চিত্কার শুনতে পাই। এটাই তোমার শাস্তি। সারাজীবন ভোগ করবে এই শাস্তি তুমি। তুমি তোমার ওয়াদা রাখোনি। তাই তুমি আর কোনদিন আমাকে খুঁজে পাবেনা। কিন্তু আমি আজও আমার ওয়াদা রেখে চলেছি। আমি এখনো তোমার পাশে ছায়ার মতই আছি। তোমার অজান্তে। আরে পাগলি যে মানুষটার সাথে তুমি চ্যাট করে যাচ্ছ সেই যে তোমার ময়না !! তুমি কোনদিন জানবেনা এই সত্যিটা। হ্যা, আমি সারাজীবন এই ফেইক আইডি দিয়ে তোমার সাথে কথা বলে যাব। তোমার লেখা মেসেজ গুলো তোমার কন্ঠ হয়ে আমার কানে আসে। কান্নাভেজা কন্ঠে জানান দিয়ে যায় তোমার অস্তিত্ব।
গল্প : ღ শঙ্খনীল ღ
ফ্রেশ হয়ে সোজা অফিসে চলে গেলাম। নাশতা করতে ইচ্ছা করছেনা। অফিসে কাজে মন বসলোনা। সারাক্ষণ ফেসবুক এ ছিলাম। যদি পাগলিকে পেয়ে যাই এই আশায়। কিন্তু যে মেয়ে ১৫ দিন পর ফেসবুকে আসে সেকি কি আর এত সহজে আসবে? আবার কতদিনের অপেক্ষায় রেখে গেল আমাকে? এসব ভেবে মনটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। একটা মেসেজ দিয়ে রাখলাম প্রিয়ার ইনবক্স এ। জানিনা কবে রিপ্লাই আসবে তার। কবে শেষ হবে আমার অপেক্ষার প্রহর। এসব ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমিয়ে পরেছি তা মনে নেই।
হঠাৎ একটা বাতাসের ঝাপটায় ঘুমটা ভেঙ্গে গেল। জানালাটা খোলাই ছিলো। মোবাইলটা তখনও আমার হাতে। মোবাইলে চোখ পড়তেই চমকে উঠলাম! প্রিয়ার মেসেজ? মেসেজটা খুলতেই দেখি প্রিয়া এখন অনলাইনে? আমি সাথে সাথে মেসেজ করলাম...
- কেমন আছেন?
- ভালো। আপনি?
- কিছুটা ভালো...!
- কিছুটা কেন?
- জানিনা... এতদিন পর?
- পরীক্ষা, অনেক ব্যাস্ত !
- কেমন চলছে?
- ভালোই :)
- আপনার আব্বু-আম্মু কেমন আছে?
- জ্বী ভালো।
- আর সে?
- কে?
- মানে আপনার স্পেশাল একজন?
প্রশ্নটা শোনার পর একটু মুচকি হাসলো কিনা জানিনা কিন্তু কিছুক্ষন আর রিপ্লাই আসলো না।
- চলে গেলেন নাকি?
- না... আছি তো !
- কিছু বললেন না যে?
- কি বলবো?
- যেটা জানতে চাইলাম?
- জানাটা কি খুব জরুরী?
- এতোটা না..! কিন্তু কৌতুহল তো থেকেই যায় :)
- হঠাৎ আমাকে নিয়ে এতো কৌতুহল?
- হঠাৎ না। অনেক আগে থেকেই।
- ও... ভালো।
- খারাপ তো হতেই পারেনা :)
- অন্য প্রসঙ্গে যাওয়া যাক...
- শেষ করলেন না যে?
- ইচ্ছা করছেনা। Sorry !!
- Its ok !!
- thanks.
প্রিয়া কি এখনো একাই অাছে? না, না। ওর পক্ষে অন্য কারো সাথে জড়ানো সম্ভব না। আমি আমার ময়না পাখিকে জানি তো! প্রিয়া আমার ছিলো, এখনো আমারই আছে। যতদুরেই থাকুক, আমি জানি ও এখনো আমাকে প্রতিটি মুহুর্তে অনুভব করে। I miss u Babu. I miss u.
- দেশে ফিরতে ইচ্ছা করেনা?
- খুব !!
- বাধা কিসের?
- জানিনা তো!
- আপনি কি দেখতে খুবই সুন্দর?
- মনে হয় না।
- তাহলে প্রোফাইলে ছবি দেন না কেন?
- ইচ্ছা করেনা।
- কিন্তু আপনাকে যে দেখতে ইচ্ছা করে?
- চলে আসুন কানাডা :)
- ওরে বাবা.... মন থেকে বলছেন? আমি কিন্তু সত্যি চলে আসব।
- ভয় দেখাচ্ছেন?
- আরে না। আমি সুন্দরীদের ভয় দেখাইনা। ভয় পাই।
- আমি সুন্দরী সেটা এতোটা আত্মবিশ্বাস দিয়ে কিভাবে বলতে পারেন?
- আমার আত্মবিশ্বাসের উপরে আমার পূর্ন আস্থা অাছে।
- তাই! ভালো।
- বৃষ্টি পছন্দ করেন?
- খুব।
- আমারও বৃষ্টি এতো ভালো লাগে যে বলে বোঝাতে পারব না। বৃষ্টি নামলে আমিও বৃষ্টির সাথে ছন্দ মেলাই। ভিজে একাকার হয়ে যাই....
কিছুক্ষন প্রিয়া আর মেসেজ করলো না। হয়ত চুপিসারে বসে বসে কাদছে। আমাদের বৃষ্টিবেজার দিনগুলি হয়তো মনে পড়ে যাচ্ছে পাগলীর। স্কুল থেকে এসেই ছাদে উঠে যেত। আর আমি নিচে দাড়িয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতাম পাগলীর জন্য। ও ছাদে ভিজতো আর আমি নিচে দাড়িয়ে বৃষ্টির সাথে ওর ছন্দ মেলানো দেখতাম। বৃষ্টিকে কিভাবে আলিঙ্গন করতে হয় সেটা পাগলীর কাছ থেকেই শিখেছি। তারপর বছর পেরিয়ে যখন কলেজে, তখন দুজনে একসাখে ভিজতাম। হাতে হাত ধরে, পাশাপাশি। লাল রঙ্গের জামায় পাগলীকে মেঘকন্যার মতো লাগতো। মনে হতো বৃষ্টির এ ধরায় আগমনের একমাত্র কারন আমার লালপরী মেঘকন্যা। প্রিয়ার আলিঙ্গনে বৃষ্টি তার সত্যিকারের পূর্নতা পেত। এসব ভেবে কখন যে অামার চোখর কোনে জল জমা হয়ে গেছে বুঝতেই পারলামনা। চোখ মুছতেই প্রিয়ার মেসেজ এলো।
- ঢাকায় বৃষ্টি হচ্ছে?
- হুমম। অনেক।
- ভিজবেন না?
- আজকে না। শরীর টা ভালো না। আপনার পছন্দের রং কি?
- লাল।
- অাশ্চর্য ! আমারও প্রিয় রং লাল।
- হুমম ।
- তখনো লাল শাড়ি পড়েছেন?
- অনেকবার।
- মেয়েদের লাল শাড়িতে অপরুপা লাগে। একদম স্বর্গের অপ্সরা....
প্রিয়া আবারও চুপ হয়ে থাকলো। আমি জানি ওর মনে এখন স্মুতির কোন পাতাটা উকি দিচ্ছে। ২৫ শে আগষ্ট। হ্যা। প্রিয়ার জন্মদিন। প্রতিবার প্রিয়া জন্মদিনে লাল টুকটুকে শাড়ি পড়তো। লাল শাড়িতে ওকে মনে হতো পৃথিবীর সবচাইতে মোহনীয় আর পরিপুর্ন একটি মেয়ে। এক পৃথিবী সৌন্দর্য ওর কাছে নিতান্তই কম মনে হতো্। আমার লাল টুকটুকে বউ। আমার পাগলী মনি। ওর লাল শাড়ির সাথে মিলিয়ে আমাকেও লাল রংয়ের পান্জাবী পড়তে হতো। যদিও আমাকে লাল পান্জাবী মানায়না। তবু আমার পাগলীর কাছে আমিই ছিলাম রাজপুত্র। আমি সবসময় পাঞ্জাবির হাত গুটিয়ে পরি। কিন্তু প্রিয়া হাত গুটানো একদম পছন্দ করতো না। ওর ভয়ে হাতা ছেড়ে রাখতাম। এখন আর পাঞ্জাবি পরিনা। তাই হাতা গুটানোর ভয়ও নেই।
যে হাত ছেড়ে দিয়ে স্বার্থপরের মতো পৃথিবীর আরেক প্রান্তে গিয়ে প্রতিদিন কান্নাভেজা চোখে আমাকে মনে করো, তখন তো এই দুহাত বাড়িয়ে তোমার চোখের জলটা মুছে দিতে পারিনা। কেন চলে গেলে আমাকে এইভাবে একলা ফেলে? কেন সেদিন বাবার বাধ্য মেয়ে হয়ে আমাকে জীবন থেকে আলাদা করে দিয়ে নিজেকে আমার কাছ থেকে সড়িয়ে নিলে? একলা স্বিদ্ধান্ত নেবার অধিকার তোমাকে কে দিয়েছে? আমি জানি তুমি এখনো প্রতিরাতে কেদে কেদে আমার নাম ধরে জোরে চিত্কার করো। আমি তোমার চিত্কার শুনতে পাই। এটাই তোমার শাস্তি। সারাজীবন ভোগ করবে এই শাস্তি তুমি। তুমি তোমার ওয়াদা রাখোনি। তাই তুমি আর কোনদিন আমাকে খুঁজে পাবেনা। কিন্তু আমি আজও আমার ওয়াদা রেখে চলেছি। আমি এখনো তোমার পাশে ছায়ার মতই আছি। তোমার অজান্তে। আরে পাগলি যে মানুষটার সাথে তুমি চ্যাট করে যাচ্ছ সেই যে তোমার ময়না !! তুমি কোনদিন জানবেনা এই সত্যিটা। হ্যা, আমি সারাজীবন এই ফেইক আইডি দিয়ে তোমার সাথে কথা বলে যাব। তোমার লেখা মেসেজ গুলো তোমার কন্ঠ হয়ে আমার কানে আসে। কান্নাভেজা কন্ঠে জানান দিয়ে যায় তোমার অস্তিত্ব।
গল্প : ღ শঙ্খনীল ღ

No comments:
Post a Comment